মোহাম্মদ জাহেদুল আহছান (তারেক)

জন্মস্থান : গ্রাম ও ডাকঘর : পশ্চিম অলিনগর,
থানা : জোরারগঞ্জ,
উপজেলা : মিরশ্বরাই
জেলা : চট্রগ্রাম।
পিতা : মৃত আমির হামজা
মাতা : আয়েশা আক্তার বানু
শৈশব : পশ্চিম অলিনগর গ্রামে
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এম কম (ব্যবস্থাপনা)
কর্ম জীবন : একটি স্বনামধন্য গ্রুপ অব কোম্পানীর কাস্টম সি এন্ড এফ এজেন্টের চীপ অপারেটিং অফিসার (সি.ও.ও) পদে কর্মরত আছি।
গবেষনা : মানুষের স্বরূপ অনুসন্ধান।
স্ত্রী : গৃহিণী
শিক্ষাগত যোগ্যতা : রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর
সন্তান : এক ছেলে (তালহা বিন তারেক) ১ম বর্ষ অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এক মেয়ে (ঊমামা বিনতে তারেক) এস এস সি পরীক্ষার্থী- ২০২১। ( মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল )
মোট গ্রন্থ : ১০ টি
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ :
রিযিক আল্লাহর হাতে
মুসলমানদের প্রথম ফরজ কুরআন পাঠ
আল্লাহ কেন শয়তান সৃষ্টি করলেন ?
অপ্রকাশিত গ্রন্থ
দ্য আইডনেটটিি অফ হিউম্যান বিয়িং
দুঃখের সাথেই সূখ
কন্ট্রোল ওভার দ্যা মাইন্ড
শাহাদতের তামান্না
মনের প্রশান্তির খোঁজে
বর্তমান জীবন ও কর্ম
নিজকে একজন চৌকস দায়ী-ইল্লাহ, খলীফাতুল্লা হিসেবে গড়ে তোলে সত্তাগত সাফল্য অর্জন করা।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা :
কুরআন শিক্ষার উপর একটি বই সংকলন করা ।
তা’লীমুল কুরআনের একজন মুয়াল্লিম হওয়া।
কুরআনে কারিম শিক্ষা করে গণমানুষকে কুরআন শিক্ষা দেওয়া।

 

আত্ম পরিচয়

আদম হাওয়া আমার মা-বাবা। আদমকে বানানো হয়েছিলো মাটি থেকে। মাটিই আমার-সত্তা, আমার প্রকাশ, মাটি থেকে আমার শুরু, মাটিতেই হবে শেষ। দ্বিতীয়বার যে জন্ম হবে সেও মাটি থেকে। সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে আমাদের শ্রেষ্ট সমর্পণ যে ’সেজদা’ তা মাটিকে স্পর্শ করে।

”আল্লাহতে যাঁর পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান” কোথা সে আরিফ-অভেদ যাহার জীবন মৃত্যূজ্ঞান”

সময়ে আবর্তে আমরা বুদ বুদ বৈ তো নয়। বিশ্বলোকের বিশালতার তুলনায় মানুষ অত্যন্ত ক্ষুদ্রাকায়। এই পৃথিবীতে যিনি একশ বছর পর্যন্ত আয়ু পেয়ে তৃপ্ত হন তার পৃথিবীতে অবস্থানকালীন সময়ে সেকেন্ডের চার ভাগের এক ভাগ মাত্র। অর্থাৎ জৈবিক অস্থিত্বের দিক থেকে এই পৃথিবীতে মানুষের অবস্থান সেকেন্ডের একটি স্পন্দন মাত্র। বিশ্বলোকের বয়সের তুলনায় মানুষের বয়স খুবই সংকীর্ণ, সীমাবদ্ধ এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এই ক্ষুদ্রাকায় ও সংকীর্ণ – সীমাবদ্ধ বয়সের মানুষই তার প্রাণ ও আত্বার এবং অন্তর্নিহিত সত্তার দিক দিয়ে এক বিরাট বিশাল অসীম ও মহান সত্তা। আত্মিক  অস্তিত্বের দিক থেকে মানুষের অবস্থান জগৎ মন্ডলির জানা ও অজানা মহাবিশ্বের ঊর্ধ্বে। প্রকৃত পক্ষে মানুষের বস্তুগত মর্যাদা নয় বরং আত্মিক । মানুষের এই আত্মিক  অস্তিত্বের জন্যই সৃষ্টিকর্তা তাকে অভিষিক্ত করেছেন তার প্রতিনিধি রুপে।

এ কথাও অনস্বীকার্য যে, পৃথিবীর বুকে সংকীর্ণ-সীমাবদ্ধ বয়সকাল বা আয়ূষ্কালের বিচারে মানুষ লক্ষ বিলিয়ন জীব-তাত্ত্বিক কালের মহাসমুদ্রে একটি বিন্দুবৎ ; কিন্তু ঈমানদার লোকদের দৃঢ় প্রত্যয় হল, মৃত্যূই মানুষের শেষ কথা নয়। মৃত্যূ হল মানুষের মহাযাত্রার একটা স্টেশন মাত্র। তার যে যাত্রা অতীতের অনাদিকাল থেকে শুরু হয়েছে, মৃত্যূর মুহূর্ত থেকে তা শুরু হবে তার সেই মহা যাত্রা অনন্তকালের অসীমতার পানে। সে এক চিরন্তন শাশ্বত জগত। সেখানে তাকে স্বাগত সম্বর্ধনা জানান হবে এই বলে: শান্তি ও স্বস্তি বর্ষিত হোক তোমাদের উপর, সূখী হও, উৎফুল্ল হও, আনন্দিত হও তোমরা। শান্তি ও স্বস্তির এ মহান কাননে তোমরা প্রবেশ কর চিরকালের জন্য।